আলোর খোঁজে
বিনয়ী হওয়া দোষের নয় বরং সবচেয়ে কঠিন কাজ। তবে নিজের পারসোনালিটি স্ট্রং করাও জরুরি। আপনি মতামতের প্রাধান্য সেভাবেই দিবেন যেভাবে আপনার ব্যক্তিত্বের সাথে যায়, অভিমত গ্রহণের ক্ষেত্রে যেখানে কোনো দ্বিমত থাকবেনা। আপনার কথা-বার্তা চালচলন সবকিছুতেই স্ট্যাবলিটি থাকা প্রয়োজন, যে সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারার মতো। আমরা সামাজিকতা বজায় রাখতে অনেকসময়ই অনেকের মতামতের সাথে এতটা খাপ খাইয়ে নিতে চাই যেন নিজের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। অথচ তার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যেমন, তেমনি ঠিক যতক্ষণ না তা দ্বীন-ইসলাম বহির্ভূত হয়, কারো ক্ষতির বা মনোকষ্টের কারণ হয়। দুনিয়াতে টিকতে গেলে যার যার অবস্থান তাকেই শক্তপোক্ত করে নিতে হয়, অন্যথায় দমকা বাতাসে নিজের অস্তিত্ব হারানোর উপায় হয়। সবাই কেন জানি নরম সরম মানুষকে পেয়ে বসে, Just like taken for granted. যতক্ষণ না সে প্রতিবাদ করছে ততক্ষণ তার উপর চাপাতেই থাকে চাপাতেই থাকে। তার কোনো অভিযোগ নেই, সব মেনে নিচ্ছে তার মানে এই যে সে এমনটাই, আর যেভাবে ইচ্ছা তার উপর ছড়ি ঘুরিয়ে নাচানো যায়। অথচ হতে পারে এটা তার বিনয়ী হবার একটা ধাপ মাত্র। সে হয়তো আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সবসময় গুট...